Hikvision EZVIZ CS-C6N Wi-Fi PT আইপি ক্যামেরার বৈশিষ্ট্য

আইপি ক্যামেরা এখন অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে যাচ্ছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, আইপি ক্যামেরার সাহায্যে আপনার বাসা বা অফিসের ভিডিও ফুটেজ যেকোনো জায়গায় বসে দেখতে পারবেন। এছাড়াও, আইপি ক্যামেরার আরও অনেক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আজকের এই পোস্টে আপনাদের সাথে Hikvision EZVIZ CS-C6N 2MP Wi-Fi PT IP Camera নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। 

আপনি যদি আইপি ক্যামেরা কী এবং সবথেকে সেরা আইপি ক্যামেরা কোনটি জানতে চান, তবে এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়ুন। তো চলুন, আইপি ক্যামেরার দাম ২০২৩ কত টাকা এবং এই ক্যামেরার বৈশিষ্ট্য কী কী জেনে নেয়া যাক।

আইপি ক্যামেরা কী

আইপি ক্যামেরা
আইপি ক্যামেরা

 

আইপি ক্যামেরা হচ্ছে সেসব সিসিটিভি ক্যামেরা যেগুলোতে আইপি প্রযুক্তি সুবিধা পাওয়া যায় এবং এটি ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় বসে ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখা যায়। অর্থাৎ, মনে করুন আপনি আপনার বাসায় একটি আইপি ক্যামেরা লাগিয়েছেন। এখন চাইলে, অফিসে বসে উক্ত আইপি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখতে পারবেন। এছাড়াও, পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় বসে আপনার ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ দেখা সম্ভব ক্যামেরায় থাকা আইপি ফিচার এর কারণে। এজন্য বাংলাদেশে আইপি ক্যামেরা অনেক বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করছে।

আইপি ক্যামেরার সুবিধা কী কী

আইপি ক্যামেরার বহুল সুবিধার কারণে এই ক্যামেরাগুলো অনেক বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করছে। অনেকেই এখন প্রচলিত সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে বের হয়ে আইপি ক্যামেরার দিকে মুভ করছে। এর অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ তারের মাধ্যমে নিতে হয় এবং নির্দিষ্ট জায়গায় বসে নির্দিষ্ট কম্পিউটার থেকে দেখা যায়। কিন্তু, আইপি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় বসে দেখা সম্ভব।

এছাড়াও আইপি ক্যামেরার আরও অনেক সুবিধা রয়েছে। এমন আরও কিছু IP Camera এর বৈশিষ্ট্য নিচে উল্লেখ করে দিয়েছি।

  1. মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা ট্যাবলেট ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট সংযোগ দিয়ে সহজেই আইপি ক্যামেরার ধারনকৃত ভিডিও ফুটেজ দেখা সম্ভব।
  2. আইপি ক্যামেরার একটি বিশেষ সুবিধা হচ্ছে, এখানে টু ওয়ে অডিও সিস্টেম রয়েছে। এর মাধ্যমে, আপনি যেমন ভিডিও ফুটেজ এর সাথে অডিও শুনতে পারবেন, তেমনি চাইলে ক্যামেরার সামনে থাকা ব্যাক্তির সাথে সহজেই কথা বলতে পারবেন।
  3. প্রচলিত সিসিটিভি ক্যামেরার তুলনায় আইপি ক্যামেরা অনেক হাই রেজুলেশন এবং এইচডি পিকচার কোয়ালিটির ভিডিও ফুটেজ দিতে পারে।
  4. আইপি ক্যামেরা মূলত ওয়াইফাই রাউটার এর সাথে কানেক্ট থাকে, তাই একাধিক ডিভাইস থেকে একই সাথে ভিডিও ফুটেজ দেখা যায়।
  5. IP Camera তে রয়েছে জুম লেন্স। ফলে, চাইলে যেকোনো ভিডিও ফুটেজ এর ক্লোজ শট নিতে পারবেন।
  6. ফেস ডিটেকশন এবং মোশন ডিটেকশন সুবিধা থাকার কারণে এই ক্যামেরা দ্বারা অত্যাধিক মানের সিকিউরিটি পাওয়া যায় এবং একের অধিক মানুষের উপর নজরদারী করা যায়।

উপরোক্ত সুবিধাগুলো ছাড়াও আইপি ক্যামেরার আরও অনেক সুবিধা রয়েছে। এতসব বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা থাকার কারণে এখন আইপি ক্যামেরার জনপ্রিয়তা আমাদের দেশে বেড়েই চলেছে। প্রচলিত সিসিটিভি ক্যামেরার থেকে সর্বাধিক মানের সিকিউরিটি এবং যেকোনো জায়গায় বসে নজরদারী করার সুবিধার জন্য আপনারও উচিত আইপি ক্যামেরা ব্যবহার করা।

আরও পড়ুন – ই পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করার নিয়ম

আইপি ক্যামেরার দাম ২০২৩

আইপি ক্যামেরার বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা অনুযায়ী দাম কম এবং বেশি হয়ে থাকে। বাংলাদেশি টাকায় ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার বা ৬০ হাজার টাকা দামের আইপি ক্যামেরা পাওয়া যায়। তবে, আপনি যদি আইপি ক্যামেরা ক্রয় করতে চান, ২ হাজার টাকার উপরে যেসব ক্যামেরা রয়েছে এসব ক্যামেরা কিনতে পারেন। এতে করে, সবথেকে ভালো ভিডিও ফুটেজ এবং সিকিউরিটি পাবেন।

আপনি যদি আইপি ক্যামেরা ক্রয় করতে চান, তবে Hikvision EZVIZ CS-C6N 2MP Wi-Fi PT IP Camera টি ক্রয় করতে পারেন। Hikvision এর আইপি ক্যামেরাগুলো অন্যান্য ক্যামেরার থেকে সর্বাধুনিক সিকিউরিটি পাবেন। 

Hikvision EZVIZ CS-C6N Wifi IP Camera এর বৈশিষ্ট্য

এই ক্যামেরাটিতে ইমেজ সেন্সর হিসেবে 1/4″ Progressive Scan CMOS ব্যবহার করা হয়েছে। ক্যামেরাটি থেকে ম্যাক্স রেজুলেশন পাবেন 1920×1080 । ক্যামেরাটির ওজন হচ্ছে ২১৮ গ্রাম । এছাড়াও আরও অনেক ফিচার রয়েছে এই ক্যামেরাটির। Hikvision EZVIZ CS-C6N 2MP Wi-Fi PT IP Camera টির দাম হচ্ছে ২,৯০০ টাকা। 

ক্যামেরাটি ক্রয় করলে ১ বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন। 

শেষ কথা

আজকের এই পোস্টে আপনাদের সাথে আইপি ক্যামেরা কী, ওয়াইফাই আইপি ক্যামেরার বৈশিষ্ট্য কী এবং আইপি ক্যামেরার দাম ২০২৩ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। এছাড়াও, Hikvision এর একটি আইপি ক্যামেরা নিয়ে আপনাদের সাথে আলোচনা করেছি। পোস্ট সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই মন্তব্য করবেন। 

Leave a Comment